শফিক কবীর ঃ অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে ও বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে কিশোরগঞ্জ ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) শহরের গৌরাঙ্গ বাজার গোল্ডেন স্টার হোটেলে দুপুর ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত এক ঘন্টা বিরতিতে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলে। ভোট গ্রহণ শেষে গননার কাজ শেষ হয় রাত আটটায়।
কিশোরগঞ্জ ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোন প্রকার অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। শহরের প্রাণকেন্দ্র গৌরাঙ্গবাজার হতে পুরানথানা পর্যন্ত বিভিন্ন সাজে সজ্জিত রঙিন পোস্টার-ব্যানার ও প্রার্থী, কর্মী-সমর্থক এবং ভোটারদের মাঝে বিরাজ করে এক উৎসব আমেজ।
নির্বাচনের প্রিজাইডিং অফিসার জামাল আবু নাসের হিলালী মিন্টু জানান, কিশোরগঞ্জ ব্যবসায়ী সমিতির এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪৯৬ জন। এর মধ্যে ৪৫৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। নির্বাচনে সভাপতি পদে ২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তাদের মধ্যে আলহাজ্ব মো. রফিকউজ্জামান খান (শওকত) (ছাতা) প্রতীকে ২৫০ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আসাদুজ্জামান খান মনির (হারিকেন) প্রতীকে পেয়েছেন ২০৬ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে ২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তাদের মধ্যে জুনায়েদ হোসেন পিয়াস (চেয়ার) প্রতীকে ২৫২ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাসুদুজ্জামান (ঘড়ি) প্রতীকে পেয়েছেন ২০২ ভোট। কোষাধ্যক্ষ পদে মোট ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তাদের মধ্যে মোঃ কলিম আহম্মেদ (চশমা) প্রতীকে ১৮২ ভোট পেয়ে কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সৈয়দ জিল্লুর রহমান জুয়েল (আনারস) ১৮০ ভোট ও রফিকুল ইসলাম (ফুটবল) প্রতীকে পেয়েছেন ৯১ ভোট।
এছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্যের ৪টি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতা নির্বাচিত হয়েছেন আবুল কালাম, ওমর ফারুক, শফিউল আলম শফিক ও সাইফুল ইসলাম মলু।
উক্ত নির্বাচনে, প্রধান নির্বাচনা কমিশনার হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেন কামরুজ্জামান লস্কর। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন লুৎফুর রহমান ফারুক এবং সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে- আমীর হোসেন, আলমগীর কবীর, মাহবুবুর রহমান বাদল ও মশিউর রহমান রেজন দায়িত্ব পালন করেন।
Leave a Reply